June 11, 2026

শিক্ষাক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সফলতা অর্জন করেছে ঈদগাঁওয়ের ইক্বরা তাহসীনুল কোরআন মাদ্রাসা

0
IMG-20251012-WA0012

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :

শিক্ষায় জাতীর মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি লাভ করতে পারেনা। শিক্ষাদীক্ষায় অভাবনীয় সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালো ইক্বরা তাহসীনুল কোরআন মাদ্রাসা। দ্বীনি-জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে এগিয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম। পড়ালেখার পাশাপাশি নামাজের প্রশিক্ষণ ও হাতের লেখা অভ্যাস্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় ছাড়াও দূর দূরান্ত থেকে ছাত্র ছাত্রীরা আসে, নওমুসলিম ছাত্র-ছাত্রীরা রয়েছে।

ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পাশে নবনির্মিত ঈদগাহ মড়েল হাসপাতাল সংলগ্ন ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করা ইক্বরা তাহসীনুল কোরআন মাদ্রাসায় স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্তে প্রায় তিন শতাধিকের বেশি ছাত্রছাত্রী রয়েছে। তাদেরকে দশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দশ বছরের ব্যবধানে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে মাদ্রাসাটি।

মাদ্রাসায় নূরানী,হেফজ,নাজেরা ও এবতেদায়ী বিভাগে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে শিক্ষাথীরা লেখাপড়া করে যাচ্ছেন। শিক্ষার মান ধরে রেখে সফলতার স্বাক্ষর নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসাটি।
দক্ষতার ভিত্তিতে লেখাপড়ায় খুশি অভিভাবক মহল। প্রতিক্ষনে প্রতিমুহুতে তদারকি,ছাত্রছাত্রী দের সাথে কৌশল বিনিময় অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা।

ডাক্তার মো:ইউসুফ আলীর সুদক্ষ পরিচালনায় সহযোগী পরিচালক হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলামে আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদ্রাসায় পড়ালেখার মান অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। যার অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে এটি করা সম্ভব।

পটিয়ার তাহফিজুল কুরআন সংস্থার প্রতিযোগিতায় ইক্বরা মাদ্রাসাটি দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছেন, নূরানী বিভাগে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সনদ পরীক্ষায় ১৫ জন মেধা তালিকায় স্থান পায়, হুফ্ফাজুল কোরআন সংস্থা বাংলাদেশের হেফজ বিভাগে ছাত্ররা উপজেলা পযার্য়ে ১ম/ ২য় স্থানে উত্তীর্ণ হন। এ অভাবনীয় সফলতার পেছনে শিক্ষকদের পাশাপাশি সহযোগী পরিচালকের ভূমিকা কিন্তু কম নয়।

এ ব্যাপারে ইক্বরা তাহসীনুল কোরআন মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলাম জানালেন, মাদ্রাসাটি দ্বীনি এবং জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। মান ধরে রেখে উপজেলা পযার্য়ে একটি মডেল মাদ্রাসায় রুপায়িত করবো, ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed

ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার থেকে ভিটেমাটি রক্ষায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন। মোঃ কামরুল হাসান কাজল কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বুকচিরে বয়ে গেছে দুধকুমার নদ। প্রতিবছর বর্ষায় আগ্রাসী রুপ ধারণ করে এই নদ। নদের ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত হয় অসংখ্য পরিবার। তাই নিজেদের ভিটেমাটি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কামাত আঙ্গারিয়া-নলেয়া গ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙ্গনরোধে ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় প্রায় আনুমানিক দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন থেকে জানানো হয় দুধকুমর নদের বাঁধ নির্মাণ আংশিকভাবে বন্ধ রেখে উজান ও ভাটির অংশে কাজ সম্পন্ন করায় নদীভাঙ্গন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এতে করে স্থানীয় জনপদ, ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়েছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাহ। তিনি বলেন দুধকুমর নদের এই অংশে ভাঙ্গন রোধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পুরো এলাকা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। নদের ভয়াবহ ভাঙনে ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা হারিয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে উদ্যোগী হতে হবে। স্থানীয়দের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নদীর গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে বাঁধ নির্মাণ বন্ধ রেখে অন্য অংশে কাজ সম্পন্ন করায় পানির চাপ এসে এই এলাকায় তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি করেছে। ফলে প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। অবিলম্বে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত ) আব্দুল লতিফ জানান, নদের ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হবে। এবিষয়ে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম জানান, দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে ইতিমধ্যে আমি সংসদে দাবী জানিয়েছি। নদের ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।